সংবিধানের অনুচ্ছেদ মনে রাখার সহজ কৌশল! বিসিএস বা অন্য যেকোন নিয়োগ পরীক্ষায় খুবই দরকার!

সংবিধানের অনুচ্ছেদ মনে রাখার সহজ কৌশল!





=======================================
বিসিএস/ জুডিশিয়ারি বা অন্য যেকোন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রিলি ও লিখিত অংশে এমনকি ভাইবাতে ও সংবিধানের অনুচ্ছেদ লাগে। কিন্তু সমস্যাটা হয়ে যায়, সংবিধানে কী লেখা আছে সেটা হয়তো মনে থাকে কিন্তু কোন অনুচ্ছেদে কথাটি বলা আছে তা আর মনে থাকেনা। কিন্তু আমি সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী আপনাদের কথা দিয়েছিলাম সব বিষয়ের সহজ প্রস্তুতি করিয়ে দিয়ে আপনাকে নিয়োগ পরীক্ষার উপযোগী করে তুলবোই। আমি অভিজ্ঞ নয়,জ্ঞানী নয়; শুধু সক্ষমতার মধ্যে সর্বোচ্চটুকু দিতে চেষ্টা করি।
========================================
:
আসুন আজ মৌলিক অধিকারগুলো অনুচ্ছেদ সহ মনে রাখার চেষ্টা করি। তবে এটুকু জেনে রাখুন মৌলিক অধিকারসমূহ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৬ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত বর্ণনা করা আছে।
:
অনুচ্ছেদ (২৬ -৩০)ঃ কথা না বাড়িয়ে নিচের কাহিনীটা পড়ুন -কেউ মৌলিক অধিকার চাইতে গেলে তাকে আইনের দৃষ্টিতে কিংবা ধর্মীয় কারণে সরকারি নিয়োগলাভে বা বিদেশ যেতে নিষিদ্ধ করতে পারবে না।
:

এই লাইনটি মনে রাখলে অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৩৪ পর্যন্ত সিরিয়াল ঠিকে রেখে লিখতে পারবেন। উপরের লাইনটি আবার খেয়াল করুন- কেউ “মৌলিক অধিকার”(অনুচ্ছেদ ২৬-মৌলিক অধিকারে সহিত অসামঞ্জস্য আই বাতিল) চাইতে গেলে তাকে “আইনের দৃষ্টিতে” (অনুচ্ছেদ ২৭- আইনের দৃষ্টিতে সমতা) কিংবা “ধর্মীয় কারণে”(অনুচ্ছেদ ২৮ -ধর্মীয় কারণে বৈষম্য) ” সরকারি নিয়োগলাভে” (অনুচ্ছেদ ২৯-সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতা) বা “বিদেশ” (অনুচ্ছেদ ৩০-বিদেশী খেতাবে রাষ্ট্রপতির অনুমতি প্রার্থনা) যেতে নিষিদ্ধ করতে পারবে না।
:
তাহলে শুধু উপরের ১লাইন মনে রাখতে পারলেই আপনি সিরিয়াল ঠিক রেখে অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৩০ পর্যন্ত মিনে রাখা সহজ হবে।
অনুচ্ছেদ (৩১-৪৩)ঃ এবার নিচের কাহিনীটা আবার পড়ুন- সঙ্গীতা আইনের আশ্রয় লাভ করতে গেলে তার জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতা খর্ব করে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে জবরদস্তি শ্রম করালে ও পুলিশের বিচার হয়নি। অবশেষে সঙ্গীতা চলাফেরা করে একটা সমাবেশে গিয়ে সংগঠনের কথা বলে, যেখানে সবার চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা, পেশা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা থাকবে বলে ঘোষনা দেয়। এটা শুনে তার শত্রুরা তার সব সম্পত্তি ঘর থেকে চুরি করে নিয়ে যায়।
:
এবার এতক্ষন যে কাহিনীটা পড়লেন সেটা বিশ্লেষণ করুন- সঙ্গীতা “আইনের আশ্রয় লাভ”( অনুচ্ছেদ ৩১- আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার) করতে গেলে তার “জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতা” (অনুচ্ছেদ ৩২ -জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার) খর্ব করে পুলিশ তাকে “গ্রেপ্তার”( অনুচ্ছেদ ৩৩ -গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ) করে “জবরদস্তি শ্রম”(অনুচ্ছেদ ৩৪- জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ) করালে ও পুলিশের “বিচার ” ( অনুচ্ছেদ ৩৫ – বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষন) হয়নি। অবশেষে সঙ্গীতা “চলাফেরা ” ( অনুচ্ছেদ -৩৬ চলাফেরার স্বাধীনতা) করে একটা “সমাবেশে” (অনুচ্ছেদ ৩৭- সমাবেশের স্বাধীনতা) গিয়ে “সংগঠনের”( অনুচ্ছেদ ৩৮- সংগঠনের স্বাধীনতা) কথা বলে, যেখানে সবার “চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা”( অনুচ্ছেদ ৩৯-চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা) , “পেশা “( অনুচ্ছেদ ৪০ পেশা ও বৃত্তির স্বাধীনতা) ও “ধর্মীয় স্বাধীনতা” (অনুচ্ছেদ ৪১) থাকবে বলে ঘোষনা দেয়। এটা শুনে তার শত্রুরা তার সব “সম্পত্তি “( অনুচ্ছেদ ৪২- সম্পত্তির অধিকার) “ঘর” (অনুচ্ছেদ ৪৩- গৃহ ও যোগাযোগ রক্ষন) থেকে চুরি করে নিয়ে যায়।
:
এভাবে জানা হয়ে গেল আপনার সকল মৌলিক অধিকার। অনুচ্ছেদ যেন ভুল না হয় তাই এভাবেই কাহিনী আকারে লিখে দিলাম। লিখিত পরীক্ষায় অনুচ্ছেদ লিখতে পা
রলেই মার্কস আসবে। তাছাড়া এই অনুচ্ছেদগুলো প্রিলিতেও লাগবে, সাথে ভাইবাতে ও।






Previous
Next Post »

Popular Posts